...

ধেয়ে আসছে আওয়ামী লীগের ভিতরের দুশমন

মো. আবদুল কুদ্দুস: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরন্ত শেখ হাসিনার ঘোষণা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বাধ্যবাধকতা মোাতাবেক এবছরের ডিসেম্বর নাগাদ বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য দেশের সব রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব কৌশলে নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল এবং দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও এই কঠিন মিশনের বেশ জোরেসরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনের বছরে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আইন শৃঙ্খলার উপর বিরূপ প্রভাব তৃতীয় বিশ্বের তথা উন্নয়নশীল বিশ্বে একটি বড় সমস্যা।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিগত কয়েক দশক ধরে বিশেষ করে, ১৯৭৫, ১৯৮১-১৯৯০, ১৯৯৬, ২০০৬-২০০৮ এবং ২০১৪ সালে নির্বাচনে এমন সমস্যা চরম দেখা দিলেও বর্তমানে এই অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। অন্যদিকে যুগ যুগ ধরে পৃথিবী জুড়ে তথা বাংলাদেশের রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ানের ঘটনা মানবাধিকারের অতন্দ্র প্রহরীখ্যাত ইলেক্ট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়াসমূহ অপরাজনীতিকদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বলেছে তোমরা রাজনীতির নামে ভুল করছো! তোমরা অন্যায়ভাবে মানুষের অধিকার খর্ব করছো! রাজনীতির পথ কুলষিত করছো! সমাজে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করছো! ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করছো! গণমাধ্যম সর্বদাই বলতে চেয়েছে দেশের রাজনীতি হোক জনগণের শান্তির জন্য। রাজনীতি হবে মানুষের জন্য। মিডিয়ার এই প্রানান্তকর চেষ্টায় সমাজ থেকে দুর্বৃত্তদের নির্মূল করা যায় নি বটে, তবে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে বলে আমার মনে হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষের সব থেকে বড় শক্তি ও রাজনৈতিক দল যার কর্মীর রক্তের শ্রতের উপর, যে দলের বীর শহীদ কর্মীদের সাহসের উপর ভিত গড়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দন্ডায়মান সে দলের কতিপয় বিপথগামী ক্ষমতালিপ্সু কর্মীগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল অর্জন আজ বিসর্জন দেওয়াড় ষঢ়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। রাজনীতির নাম করে, জাতির পিতার অমিয় মুধুর স্লোগান, বাঙালির মুক্তির মূলমন্ত্র ‘জয় বাংলা’ কে অপবিত্র করে, বিশ্ব ‘মানবতার মা’ দেশরন্ত শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ার অপ্রতিরোধ্য গতিকে থামিয়ে দিতে নানা ধরণের অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার নামে জনগণের টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের বিলাশবহুল জীবনের জন্য ব্যয় করছে। সামন্য স্থানীয় সরকারের একজন কাউন্সিলরের পক্ষে অস্ত্র হাতে সন্ত্রাসী অবস্থান নিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। দলের ভেতরে জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতাদেরকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রেখে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো বেপরোয়াভাবে চলছে। তারা জানে না যে, “বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা তথা সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চতকরণ ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং সমাজতন্ত্র তথা শোষণমুক্ত সমাজ ও সামাজিক ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মূলনীতি।”(আওয়ামী লীগের ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র, পৃ.৯৭)

অথচ বাঙালি জাতির পিতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহপ্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতির জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা বলেছেন। জাতির পিতা মানুষের সাথে গভীর রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা বলেছেন তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে এভাবে “একজন মানুষ হিসাবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসাবে যা কিছু বাঙালির সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলো।”

বঙ্গবন্ধু তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবদ্দশায় মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন কিভাবে রাজনীতি করতে হয়। কিভাবে সংগঠনকে সমৃদ্ধ করতে হয়। মানুষের মাথায় অস্ত্র ধরে, বা জনগণের অর্থ লুট করে নয়, মানুষকে ভালোবেসে, মানুষের জন্য কাজ করে, জনগণের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করে, দেশকে ভালোবেসে, দেশের উন্নয়নে কাজ করে কেবল একটি সংগঠন বা গোষ্ঠীর নেতা হতে হয়। তিনি শিখিয়েছেন নেতা হবার জন্য নয়, মানুষের বিপদে বন্ধু হয়ে মানুষের হৃদয়কে জয় করার জন্য কাজ করতে হয়। তিনি শুধু কথা বলেই ক্ষান্ত হননি বরং সকল কাজ বাস্তবে করে দেখিয়েছেন। যেমন তিনি ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের সময় কিভাবে বাংলার মানুষের জন্য কাজ করেছেন তা বর্ণনা করেছেন তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে এভাবে “ দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে। গ্রাম থেকে লাখ লাখ লোক শহরের দিকে ছুটেছে স্ত্রী-পুত্রের হাত ধরে। খাবার নাই, কাপড় নাই। ইংরেজ যুদ্ধের জন্য সমস্ত নৌকা বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে। ধান, চাল সৈন্যদের খাওয়াবার গুদাম জব্দ করেছে। যা কিছু ছিল ব্যবসায়ীরা গুদামজাত করেছে। ফলে এক ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দশ টাকা মণের চাউল চল্লিশ-পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি করছে। এমন দিন নাই রাস্তায় লোকে মরে পড়ে থাকতে দেখা যায় না।”

এসময় বঙ্গবন্ধু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে এসব অভাগা মানুষের সাহায্য সহযোগীতার জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। ক্ষুধার্তদের জন্য ‘কন্ট্রোল’ দোকান খোলার ব্যবস্থা করলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর অভিজ্ঞতাকে বিস্তৃত করেন এভাবে “...দুর্ভিক্ষের সময় মুর্শিদাবাদে এমন কতিপয় ব্যবসায়ীরা ছিলো যারা গোটা বিলেত কিনতে পারত। তবুও সেই বাংলাদেশের এই দুরবস্থা যে, মা মরে পড়ে আছে, ছোট বাচ্চা সেই মরা মার দুধ চাটছে। কুকুর ও মানুষ একসাথে ডাস্টবিন থেকে কিছু খাবার জন্য কাড়াকাড়ি করছে। ছেলে মেয়েদের রাস্তায় ফেলে দিয়ে মা কোথায় পালিয়ে গেছে। পেটের দায়ে নিজের ছেলেমেয়েকে বিক্রি করতে চেষ্টা করছে। কেউ কিনতেও রাজি হয় নাই। অনেকে চিৎকার করছে, মা বাঁচাও, কিছু খেতে দাও, মরে তো গেলাম, আর পারি না, একটু ফেন দাও। বঙ্গবন্ধু সেই সময়, জনগণের সেই দুঃসময়ে বর্তমান তথাকথিত নেতাদের মতো পালান নি। তিনি হোস্টেলের বেঁচে যাওয়া খাবার দুপুরে ও রাতে বুভুক্ষুদের বসিয়ে ভাগ করে দিয়েছেন, মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করেছেন (পৃ.১৭-১৮)।

বঙ্গবন্ধু যখন এসব কাজে ব্যস্ত তখন তাঁর বাবা তাঁকে শিখিয়েছেন কিভাবে একজন মানুষকে মানুষ হতে হয়। তাঁর বাবা বলেন“ দেশের জন্য কাজ করছে , অন্যায় তো করছে না; যদি জেল খাটতে হয়, খাটবে; তাতে আমি দুঃখ পাব না। ‘...Sincerity of purpose and honesty of purpose’ থাকলে জীবনে কখনো পরাজিত হবা না (পৃ. ২১)। বঙ্গবন্ধু জনগণের জন্য কাজ করতেন। তাই তিনি একবার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে নির্বাচন বিষয়ক আলাপকালে দ্ব্যার্থহীনভাবে বলেছিলেন “আমরা পাঁচটি আসনেই জিতবো” (পৃ..৪৩)। ওই নির্বাচনে চট্টগ্রামের ফজলুল কাদের চৌধুলীর পদ-পদবী লাভের লোভের ব্যাপরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর তীব্র ঘৃনা প্রকাশিত হয় (পৃ. ৪৪)। বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদারতা বেশ পছন্দ করতেন। কিন্তু নিচু অন্তঃকরণের ব্যক্তি সাথে উদারতা দেখালে ভবিষ্যতে ভালর থেকে মন্দই বেশী হয়, দেশের ও জনগণের যে ক্ষতি হয় তা তিনি স্পষ্টতই উপলদ্ধি করেছেন।

তিনি কতিপয় বাঙালি তোষামুদে নেতার চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেন, “ আমাদের বাঙালির মধ্যে দুইটা দিক আছে। একটা হল ‘ আমরা মুসলমান, আর একটা হল, আমরা বাঙালি।’ পরশ্রীকাতরতা এবং বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে। বোধ হয় দুনিয়ার কোন ভাষায়ই এই কথাটা পাওয়া যাবে না, ‘পরশ্রীকাতরতা’। পরের শ্রী দেখে যে কাতর হয়, তাকে ‘পরশ্রীকাতর’ বলে। ঈর্ষা. দ্বেষ সকল ভাষায়ই পাবেন, সকল জাতির মধ্যেই কিছু কিছু আছে, কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে আছে পরশ্রীকাতরতা। ভাই, ভাইয়ের উন্নতি দেখলে খুশি হয় না। এই জন্যই বাঙালি জাতির সকল রকম গুণ থাকা সত্ত্বেও জীবনভর অন্যের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সুজলা, সুফলা বাংলাদেশ সম্পদে ভর্তি। এমন উর্বর জমি দুনিয়ায় খুব অল্প দেশেই আছে। তবু এরা গরিব। কারণ, যুগ যুগ ধরে এরা শোষিত হয়েছে নিজের দোষে। নিজেকে এরা চেনে না, আর যতদিন চিনবে না এবং বুঝবে না ততদিন এদের মুক্তি আসবে না।”

তিনি আরো বলেন, “অনেক সময় দেখো গেছে, একজন অশিক্ষিত লোক, লম্বা কাপড়, সুন্দর চেহারা, ভাল দাড়ি, সামান্য আরবি ফার্সি বলতে পারে, বাংলাদেশে এসে পীর হয়ে গেছে। বাঙালি হাজার হাজার টাকা তাকে দিয়েছে দোয়া পাওয়ার লোভে। ভালো করে খবর নিয়ে দেখলে দেখা যাবে এ লোকটা কোলকাতার কোন ফলের দোকানের কর্মচারী অথবা ডাকাতি বা খুনের মামলার আসামী। অন্ধ কুসংস্কার ও অলৌকিক বিশ্বাসও বাঙালির দুঃখের আর একটা কারণ (পৃ.৪৭-৪৮)।”

যুক্তফ্রন্ট নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে জেরে বঙ্গবন্ধু শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ও তাঁর গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে সমঝোতার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে। তিনি বলেন, দ্বন্দ্ব সৃষ্টিকারী কতিপয় তথাকথিত নেতা শেরে বাংলা একে ফজলুল হককে এমনভাবে ঘিরে রেখেছে যে তাঁর কাছ থেকে শত চেষ্টা করেও বের করা সম্ভব হয় নি। এদের অনেকেই নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস পূর্বে মুসলিম লীগ ত্যাগ করে এসেই ক্ষমতার লড়াইয়ে পরাজিত হয়। সেখানে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই বঙ্গবন্ধুর একটি মহৎ উদ্যোগ ব্যর্থ হয় (পৃ, ২৮৮ ও টিকা নং ৩১)।” বঙ্গবন্ধুর এমন দুর্দান্ত নেতৃত্বের কারণেই তো বাংলার মানুষেরা আওয়ামী লীগের সব থেকে দুঃসময়েও বঙ্গবন্ধুকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বিপুল বিজয় তাঁর এক মহান নেতৃত্বের পরিচয় মেলে।

দেশরন্ত শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃতে বাংলাদেশ আজ এক অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের গতিতে এগিয়ে চলেছে। এই দেশের সকল মানুষ আজ তাঁর নেতৃত্বের প্রতি গভীর আস্থাশীল। বিশ্ব নেতারা আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় মুশগুল। এমন দেশে একটি সর্বনি¤œ দরদাতা ও অভিজ্ঞ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলে জন্য সর্বোচ্চ দরদাতা এবং অপেক্ষাকৃত কম দক্ষ প্রতিষ্ঠানকে সরকারী উন্নয়ন কাজ দিলে দেশের সাধারণ মানুষ নির্বাচনের পূব মুহূর্তে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ক্ষেপে যাবে এটি স্বাভাবিক। যে সকল সাংসদরা পাঁচ বছর যাবৎ নিজ এলাকার কোনো উন্নয়ন না করে লুট-পাটে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন তাঁদের হাতে নির্বাচনের আগে বড় বড় প্রকল্প কতটা নিরপদে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাবে তাও আজ সন্দেহের কারণ। যেসব সাংসদ তাঁদের এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে না থেকে শোষণ করে বেড়াচ্ছে, যাদের অফিসের ত্রি-সীমানায় কর্মীরা যেতে পারেন না, যেসব নেতার স্ত্রী, ভাই, বোন, ছেলে-মেয়েধের উৎপাতে টিকা যায় না, তাদের জন্য দেশের গুঁড়া আওয়ামী লীগাররাও আজ ক্ষিপ্ত।

বাংলার জনগণ জানে কতিপয় আওয়ামী লীগ নামধারী নেতাদের কারণে আজ শেয়ার বাজারের সূচক নি¤œগামী। এই শেয়ার মার্কেটকে চাঙ্গা করতে না পারলে মানুষের মনে হতাশা তৈরী হতে পারে। আসন্ন নিবর্বাচনে তার সমুচিত জবাবও আসতে পারে। ঋণ খেলাফির ঋণের বোঝার দায় বাংলার জনগণ নেবে না। যিনি ঋণ নিয়ে ব্যাংক লুট করেছেন তাঁকেই এসবের দায় বহন করতে হবে। অন্যথায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে নির্বাচনে মানুষ রাগ প্রকাশ করতে পারে। কোন নেতার ক্ষমতার দাপট কতো? তার বলি দেশের কোন সাধারণ মানুষ হতে আর চায় না। মন্ত্রী সাংসদ ও স্থানীয় এবং জাতীয় নেতাদের দৌরাতœ কমাতে না পারলে উন্নয়নের মহাসড়কে মহাদুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমন দুর্ঘটনার খেসারত বাংলাদেশের শান্তিকামী উন্নয়ন প্রত্যাশী মানুষকে ভোগাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দেশরন্ত শেখ হাসনিার রাজনৈতিক আদর্শের চর্চা করার সময় এখনই। নিজেকে মানুষের জন্য উজার করে দিয়ে রাজনীতি করার মতো যোগ্য করে গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবার সম্ভনা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের সকল অর্জন বিনষ্ট হবার সম্ভবনা রয়েছে।

লেখক: মো. আবদুল কুদ্দুস

শিক্ষক, বিজনেস স্টাডিজ বিভাগ ও সহকারী প্রক্টর নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী

০৬ এপ্রিল, ২০১৮

...
...

অফিস

পূবালী মার্কেট(দ্বিতীয় তলা),
পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড,শিরোইল,
রাজশাহী,বাংলাদেশ।
মোবাইল(বার্তা কক্ষ):
01710058282
ই-মেইল:
sodeshbartanews@gmail.com info@sodeshbarta.com

সম্পাদক ও প্রকাশক

Card image

কামরুজ্জামান বাদশা


মোবাইল :01710058282
© কপিরাইট ২০১৬-২০১৭ স্বদেশ বার্তা